[অনুবাদকের মন্তব্য: প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার লন্ডন ইউনিভার্সিটির, দিল্লি ইউনিভার্সিটি ও নয়া দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির প্রাচীন ইতিহাসের প্রাক্তন অধ্যাপক; বর্তমানে জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির এমিরেটারস অধ্যাপক। ২০১৫ সালের ১৯ আগস্টে রোমিলা থাপার জামিয়া মিল্লিয়াতে আসগর আলি ইঞ্জিনিয়ার স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন। পরবর্তীতে দ্যা ওয়ার (১৮ অক্টোবর ২০১৫) নামক ওয়েব পোর্টাল তার সেই বক্তৃতাটি What Secularism is and Where It Needs to Be Headed শিরোনামে প্রকাশ করে।]
Thursday, March 3, 2022
Monday, January 3, 2022
‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ প্রসঙ্গে দীপেশ চক্রবর্তীর সাথে আলাপচারিতা
অনুবাদকের মন্তব্য: নিম্নবর্গের ইতিহাসবিদ হিসেবে খ্যাত দীপেশ চক্রবর্তী আমাদের কাছে খুবই পরিচিত এক নাম। বিশেষত তাঁর ‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ দুনিয়াজুড়ে বহুল পঠিত ও আলোচিত গ্রন্থ। সম্প্রতি এই বইয়ের দুই-দশক পূর্তি উপলক্ষ্যে বইটি নিয়ে নানাবিধ পর্যালোচনা চলেছে, যাতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীরা। বাংলাদেশেও বুদ্ধিবৃত্তিক ও পরিবর্তনকামী ক্রিটিকাল রাজনৈতিক পরিসরে এই বইটি নিয়ে আলাপ-পর্যালোচনা বিদ্যমান।
অনূদিত এই
সাক্ষাতকারটিতে মূলত দীপেশ চক্রবর্তী ‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ বইয়ের প্রকল্প
প্রসঙ্গে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এছাড়াও সাবলটার্ন স্টাডিজের শুরু দিককার
অনুসন্ধানের অভিমুখ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কেও মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি নিম্নবর্গের
ইতিহাসচর্চার কিছু নির্দিষ্ট সমালোচনারও জবাব দিয়েছেন। দীপেশ চক্রবর্তী তাঁর আরেক
গুরুত্বপূর্ণ বই The
Calling of History : Sir Jadunath Sarkar and His Empire
of Truth প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভারতবর্ষের গণতন্ত্র,
ইতিহাস, ইতিহাস-রচনার নানা খুঁটিনাটি
দিক সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন, যা আগ্রহী পাঠকদের কাছে
গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে আমাদের বিশ্বাস। (উল্লেখ্য, ‘দ্য কলিং অফ
হিস্ট্রি’ নিয়ে শুদ্ধস্বরে প্রকাশিত দীপেশের আরেকটি
অনূদিত সাক্ষাৎকার দেখা যেতে পারে।) অনুবাদের ক্ষেত্রে সাবলটার্ন স্টাডিজ এবং
নিম্নবর্গের অধ্যয়ন দুই-ই নির্বিচারে ব্যবহার করা হয়েছে।
দীপেশ চক্রবর্তী
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে লরেন্স এ কিম্পটন ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর।
প্ল্যানেটারি তথা গ্রহীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জলবায়ু সংকট ও অতিমারির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ
সংক্রান্ত তাঁর লেখালেখিকে সমগ্র বিশ্বেই বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। সম্প্রতি
প্রকাশিত হয়েছে তাঁর The
Climate of History in a Planetary Age গ্রন্থ।
অনুবাদটি ২০১৬ সালে Critical Theory Workshop ওয়েবসাইটে ‘Provincializing Europe: In Conversation With Dipesh Chakrabarty’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়।
আই হেট নিউ ইয়ার্স ডে।। আন্তনীও গ্রামসি
সাজ্জাদ স্যারের বদৌলতে আন্তনীও গ্রামসির I Hate New Year’s Day নামে এই পিচ্ছি নিবন্ধ/মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেলাম। লেখাটি মূলত প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালের ১ জানুয়ারি। Avanti!-তে।আমি যেটা পড়েছি সেটা প্রকাশিত হয় জেকোবিনে; ২০১৬ সালে। ২০২২ সালের নববর্ষের দিনে লেখাটা পড়েছি, অইদিনই অনুবাদ করে ফেলি গরম-গরম অবস্থায়। অনুবাদে পরিভাষাগত কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে। গোচরে আনলে কৃতজ্ঞ থাকবো। শুরুতেই তাই শুকরিয়া জ্ঞাপন করে দিচ্ছি।
Monday, June 21, 2021
বৈপ্লবিক মূলমন্ত্র।। মিখাইল বাকুনিন
সম্পাদকীয় মন্তব্য: নিচের রচনাটি রুশ বিপ্লবী মিখাইল বাকুনিনের Revolutionary Catechism এর অনুবাদ। বাকুনিনের চিন্তাভাবনায় বিভিন্ন মুক্তিমুখীন প্রবণতা সময়ে সময়ে দিক বদল করলেও ১৮৬৪-১৮৬৭ সালের দিকে তার নৈরাজ্যবাদী ভাবনা একটা চূড়ান্ত রূপ নেয়। বাকুনিন রচনা সংকলনের সম্পাদক ও অনুবাদক স্যাম ডলগফ মনে করেন, ১৮৬৬ থেকে বাকুনিন নৈরাজ্যবাদী ধ্যান-ধারণার জগতে প্রবেশ করেন। এই সময়েই বিপ্লবী জাতীয়তাবাদ থেকে বিপ্লবী নৈরাজ্যবাদের দিকে তার রূপান্তর ঘটে। ১৮৬৫-৬৬ সালের দিকে তার তিনটা রচনা প্রকাশিত হয়: The International Family, Revolutionary Catechism, এবং National Catechism; এগুলোতেই তিনি তার মৌলিক ভাবনাগুলো তুলে ধরেন। এইচ.ই.কামিন্সকর মতে, এগুলো পুরো নৈরাজ্যবাদী আন্দোলনের স্পিরিচুয়াল ফাউন্ডেশন হিসাবে কাজ করেছে। সময়ের সাথে তার এই ধারণাগুলো আরো বিবর্তিত হয়েছে, পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের দিকে গিয়েছে। Revolutionary Catechism লেখা হয় ১৮৬৬ সালে। স্যাম ডলগফ অনূদিত ও সম্পাদিত Bakunin on Anarchy গ্রন্থে রচনাটি সংকলিত হয়েছে। বইটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়। নিচের সংস্করণটি দি এনার্কিস্ট লাইব্রেরি থেকে নেয়া হয়েছে। বিদ্যমান কোনো সংস্করণে পুরো রচনা পাওয়া যায়নি, কিছু কিছু অংশ হারিয়ে গিয়েছে।
Tuesday, February 23, 2021
ক্রাইসিস এজ ফ্রিডম: আল্লামা ইকবাল ও ওয়াল্টার বেঞ্জামিন।। আসাদ ডানডিয়া
Wednesday, January 20, 2021
ন্যাশনাল ক্যাটেকিজম।। মিখাইল বাকুনিন
১৮৪৮ সালের মহাবিদ্রোহের পর শ্রমজীবী মানুষের বৈপ্লবিক সংগঠন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে। পরবর্তী দেড় দশকজুড়ে বিপ্লবীদের পিছে ফেউয়ের মতো লেগে ছিল ইউরোপের সরকারগুলো। বিপ্লব তৎপরতা থেমে থাকেনি। নানাস্থানে গোপনে গড়ে উঠতে থাকে বিভিন্ন রকমের বিপ্লবী সংগঠন।১৮৪৮ সালের মহাবিদ্রোহের সময় রুশ বিপ্লবী মিখাইল বাকুনিন মুক্তিবাদী ছিলেন। স্বাধীনতার প্রাণস্পৃহা ছিল তার বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের মর্মে। বাকুনিন রচনা সংকলনের সম্পাদক ও অনুবাদক স্যাম ডলগফ মনে করেন, ১৮৬৬ থেকে রুশ বিপ্লবী বাকুনিন নৈরাজ্যবাদী ধ্যান-ধারণার জগতে প্রবেশ করেন। National Catechism বাকুনিনের নৈরাজ্যবাদ আলিঙ্গনের স্মারক রচনা। বিভিন্ন দেশে গড়ে ওঠা আন্দোলনের জন্য মৌলিক সংকল্প’র ধারণায়ন করেন। কেন্দ্রীভূত আমলাতান্ত্রিক ও সামরিক রাষ্ট্রকে একটা ফেডারেল সংগঠন দ্বারা প্রতিস্থাপনের সংকল্প এতে পষ্ট হয়। ফেডারেল সংগঠনের মৌলিক নীতিই হল: উপর থেকে নিচে নয়, নিচ থেকে উপরে। সংগঠন প্রশ্নে বাকুনিনের ফেডারেল পদ্ধতিই পরবর্তীকালে প্যারী কমিউনেরও সংগঠন প্রণালী ছিল। একই সঙ্গে তিনি জোর দেন সামাজিক বিপ্লবে। National Catechism লেখা হয় ১৮৬৬ সালে। স্যাম ডলগফ অনূদিত ও সম্পাদিত Bakunin on Anarchy গ্রন্থে রচনাটি সংকলিত হয়েছে। বইটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়।- অরাজ সম্পাদক
Sunday, December 27, 2020
নব্য-মৌলবাদ প্রসঙ্গে অলিভার রয়: একটি সাক্ষাৎকার
অলিভার রয় ফরাসি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী; পলিটিক্যাল ইসলাম, সেকুলারকরণ, জিহাদ, মৌলবাদ ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন। তাঁর Globalized Islam : The Search for a New Ummah কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। তিনি সেখানে এই সময়ের ইসলামি আন্দোলনের হাল হকিকত নিয়ে আলাপ করেছেন; পশ্চিমাকরণ, বিশ্বায়ন, আধুনিকতা ইত্যাদির মধ্যে বর্তমানের বিশ্বায়িত ইসলামের স্বরূপ খোজার চেষ্টা চালিয়েছেন। তার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস ওয়েবসাইটেই; সেখানে তিনি মূলত আলাপ করেছেন এই বই নিয়ে। আকারে ছোট কিন্তু আগ্রহোদ্দীপক সেই আলাপের প্রাসঙ্গিকতা এখনো হারায়নি। বরঞ্চ অলিভার রয়ের সাম্প্রতিক কাজ, যেমন জিহাদ এন্ড ডেথ, সেকুলারিজম কনফ্রন্টস ইসলাম, এই আলাপের পরিসর আরো বাড়িয়েছে। অলিভার রয়ের জিহাদ এন্ড ডেথ নিয়ে আলোচনার জন্য 'নব্য-জিহাদী কারা' শীর্ষক লেখাতে চোখ বুলানো যেতে পারে।
Thursday, October 1, 2020
ঔপনিবেশিক সমাজের যেকোন বাসিন্দাই ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করতে পারবে: নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো
Wednesday, September 16, 2020
করোনাভাইরাস: যে আকস্মিকতা খোদ সম্ভাব্যতাকেই মুছে দিচ্ছে—ইমানুয়েল অ্যালোয়া
Sunday, June 14, 2020
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ: নৈরাজ্যবাদ প্রসঙ্গে হাওয়ার্ড জিন
অনুবাদকের কৈফিয়ত
হাওয়ার্ড জিন প্রখ্যাত আমেরিকান ইতিহাসবিদ, চিন্তক ও বুদ্ধিজীবী। প্রায় বিশের অধিক বই-পুস্তক লিখেছেন, পাশাপাশি নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক ইতিহাস নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেছেন, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, আলাপ-আলোচনা করেছেন। তাঁর বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ‘A People's History of the United States’ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায় সকলেই জানেন, সিনেমা থেকে শুরু করে বিদ্বৎসমাজ সবখানেই এই গ্রন্থ বহুরূপে উল্লেখিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন এয়ারফোর্সে যোগদান করেছিলেন, এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝে গিয়েছিলেন যে, যুদ্ধের দোহাই দিয়ে সাধারণ জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে ব্যবহার করে গুটিকয়েক ফায়দা হাসিল করেন। আজীবন বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গিয়েছেন।
Wednesday, May 13, 2020
করোনা: মহামারীর রাজনীতি
Thursday, February 13, 2020
ইসলামিকরণে 'সেকুলার' সরকারি দলের দায়
Sunday, November 17, 2019
মানুষ, সমাজ এবং স্বাধীনতা: মিখাইল বাকুনিন
Thursday, October 31, 2019
আন্দোলনকারীদের জবানে চিলির 'নেতাবিহীন আন্দোলন'
Thursday, May 2, 2019
নব্য-জিহাদি কারা?: অলিভার রয়ের তত্ত্ব-তালাশ
Wednesday, January 2, 2019
জাতীয়তাবাদী মন - জর্জ অরওয়েল
ভূমিকা
Saturday, October 20, 2018
স্বাধীনতা কী? - জন বেভেরলি রবিনসন
Friday, September 21, 2018
আমি একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী বলছি: আমরা ফিরে যেতে চাই
![]() |
| A Rohingya refugee boy desperate for aid cries as he climbs on a truck distributing aid for a local NGO near the Balukali refugee camp in Cox's Bazar, Bangladesh (Kevin Frayer/Getty Images) |
















