Showing posts with label অনুবাদ. Show all posts
Showing posts with label অনুবাদ. Show all posts

Thursday, March 3, 2022

সেকুলারিজমের খোঁজে।। রোমিলা থাপার


[অনুবাদকের মন্তব্য: প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার লন্ডন ইউনিভার্সিটির, দিল্লি ইউনিভার্সিটি ও নয়া দিল্লির জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির প্রাচীন ইতিহাসের প্রাক্তন অধ্যাপক; বর্তমানে জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটির এমিরেটারস অধ্যাপক। ২০১৫ সালের ১৯ আগস্টে রোমিলা থাপার জামিয়া মিল্লিয়াতে আসগর আলি ইঞ্জিনিয়ার স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন। পরবর্তীতে দ্যা ওয়ার (১৮ অক্টোবর ২০১৫) নামক ওয়েব পোর্টাল তার সেই বক্তৃতাটি What Secularism is and Where It Needs to Be Headed শিরোনামে প্রকাশ করে।] 

Monday, January 3, 2022

‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ প্রসঙ্গে দীপেশ চক্রবর্তীর সাথে আলাপচারিতা


অনুবাদকের মন্তব্য: নিম্নবর্গের ইতিহাসবিদ হিসেবে খ্যাত দীপেশ চক্রবর্তী আমাদের কাছে খুবই পরিচিত এক নাম। বিশেষত তাঁর ‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ দুনিয়াজুড়ে বহুল পঠিত ও আলোচিত গ্রন্থ। সম্প্রতি এই বইয়ের দুই-দশক পূর্তি উপলক্ষ্যে বইটি নিয়ে নানাবিধ পর্যালোচনা চলেছে, যাতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীরা। বাংলাদেশেও বুদ্ধিবৃত্তিক ও পরিবর্তনকামী ক্রিটিকাল রাজনৈতিক পরিসরে এই বইটি নিয়ে আলাপ-পর্যালোচনা বিদ্যমান।

অনূদিত এই সাক্ষাতকারটিতে মূলত দীপেশ চক্রবর্তী ‘প্রভিন্সিয়ালাইজিং ইউরোপ’ বইয়ের প্রকল্প প্রসঙ্গে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এছাড়াও সাবলটার্ন স্টাডিজের শুরু দিককার অনুসন্ধানের অভিমুখ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কেও মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি নিম্নবর্গের ইতিহাসচর্চার কিছু নির্দিষ্ট সমালোচনারও জবাব দিয়েছেন। দীপেশ চক্রবর্তী তাঁর আরেক গুরুত্বপূর্ণ বই The Calling of History : Sir Jadunath Sarkar and His Empire of Truth প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভারতবর্ষের গণতন্ত্র, ইতিহাস, ইতিহাস-রচনার নানা খুঁটিনাটি দিক সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন, যা আগ্রহী পাঠকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে আমাদের বিশ্বাস। (উল্লেখ্য, ‘দ্য কলিং অফ হিস্ট্রি’ নিয়ে শুদ্ধস্বরে প্রকাশিত দীপেশের আরেকটি অনূদিত সাক্ষাৎকার দেখা যেতে পারে।) অনুবাদের ক্ষেত্রে সাবলটার্ন স্টাডিজ এবং নিম্নবর্গের অধ্যয়ন দুই-ই নির্বিচারে ব্যবহার করা হয়েছে।  

দীপেশ চক্রবর্তী যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে লরেন্স এ কিম্পটন ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর। প্ল্যানেটারি তথা গ্রহীয় দৃষ্টিকোণ থেকে জলবায়ু সংকট ও অতিমারির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সংক্রান্ত তাঁর লেখালেখিকে সমগ্র বিশ্বেই বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর The Climate of History in a Planetary Age গ্রন্থ।

অনুবাদটি ২০১৬ সালে Critical Theory Workshop ওয়েবসাইটে ‘Provincializing Europe: In Conversation With Dipesh Chakrabarty’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

আই হেট নিউ ইয়ার্স ডে।। আন্তনীও গ্রামসি


সাজ্জাদ স্যারের বদৌলতে আন্তনীও গ্রামসির I Hate New Year’s Day নামে এই পিচ্ছি নিবন্ধ/মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেলাম। লেখাটি মূলত প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালের ১ জানুয়ারি। Avanti!-তে।আমি যেটা পড়েছি সেটা প্রকাশিত হয় জেকোবিনে; ২০১৬ সালে। ২০২২ সালের নববর্ষের দিনে লেখাটা পড়েছি, অইদিনই অনুবাদ করে ফেলি গরম-গরম অবস্থায়। অনুবাদে পরিভাষাগত কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে। গোচরে আনলে কৃতজ্ঞ থাকবো। শুরুতেই তাই শুকরিয়া জ্ঞাপন করে দিচ্ছি। 

Monday, June 21, 2021

বৈপ্লবিক মূলমন্ত্র।। মিখাইল বাকুনিন

 

সম্পাদকীয় মন্তব্য: নিচের রচনাটি রুশ বিপ্লবী মিখাইল বাকুনিনের Revolutionary Catechism এর অনুবাদ। বাকুনিনের চিন্তাভাবনায় বিভিন্ন মুক্তিমুখীন প্রবণতা সময়ে সময়ে দিক বদল করলেও ১৮৬৪-১৮৬৭ সালের দিকে তার নৈরাজ্যবাদী ভাবনা একটা চূড়ান্ত রূপ নেয়। বাকুনিন রচনা সংকলনের সম্পাদক ও অনুবাদক স্যাম ডলগফ মনে করেন, ১৮৬৬ থেকে বাকুনিন নৈরাজ্যবাদী ধ্যান-ধারণার জগতে প্রবেশ করেন। এই সময়েই বিপ্লবী জাতীয়তাবাদ থেকে বিপ্লবী নৈরাজ্যবাদের দিকে তার রূপান্তর ঘটে। ১৮৬৫-৬৬ সালের দিকে তার তিনটা রচনা প্রকাশিত হয়: The International Family, Revolutionary Catechism, এবং National Catechism; এগুলোতেই তিনি তার মৌলিক ভাবনাগুলো তুলে ধরেন। এইচ.ই.কামিন্সকর মতে, এগুলো পুরো নৈরাজ্যবাদী আন্দোলনের স্পিরিচুয়াল ফাউন্ডেশন হিসাবে কাজ করেছে। সময়ের সাথে তার এই ধারণাগুলো আরো বিবর্তিত হয়েছে, পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের দিকে গিয়েছে। Revolutionary Catechism লেখা হয় ১৮৬৬ সালে। স্যাম ডলগফ অনূদিত ও সম্পাদিত Bakunin on Anarchy গ্রন্থে রচনাটি সংকলিত হয়েছে। বইটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়। নিচের সংস্করণটি দি এনার্কিস্ট লাইব্রেরি থেকে নেয়া হয়েছে। বিদ্যমান কোনো সংস্করণে পুরো রচনা পাওয়া যায়নি, কিছু কিছু অংশ হারিয়ে গিয়েছে।

Tuesday, February 23, 2021

ক্রাইসিস এজ ফ্রিডম: আল্লামা ইকবাল ও ওয়াল্টার বেঞ্জামিন।। আসাদ ডানডিয়া



কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসাদ ডানডিয়া'র Crisis as Freedom: Muhammad Iqbal and Walter Benjamin লেখাটি গত ২৪শে জানুয়ারিতে LOS ANGELES REVIEW OF BOOKS (LARB) ওয়েব পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে। এই অনুবাদে, আল্লামা ইকবালের উদ্ধৃতিগুলোর ক্ষেত্রে ‘ইসলামে ধর্মীয় চিন্তার পুনর্গঠন’ এর বাংলা অনূদিত [প্রথমা থেকে প্রকাশিত] গ্রন্থ থেকে সাহায্য নেয়া হয়েছে। কখনো কখনো বাক্যগুলো হুবহু এই গ্রন্থ থেকেই তুলে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ওয়াল্টার বেঞ্জামিনের থিসিসগুলো অনুবাদে পারভেজ আলমের লেখাপত্রের সাহায্য নেয়া হয়েছে। অনুবাদক ও বোধিচিত্ত ইকবালের গ্রন্থটির অনুবাদক ও পারভেজ আলমের প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছে। অনুবাদটি প্রথম বোধিচিত্তে প্রকাশিত হয়।

Wednesday, January 20, 2021

ন্যাশনাল ক্যাটেকিজম।। মিখাইল বাকুনিন



১৮৪৮ সালের মহাবিদ্রোহের পর শ্রমজীবী মানুষের বৈপ্লবিক সংগঠন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে। পরবর্তী দেড় দশকজুড়ে বিপ্লবীদের পিছে ফেউয়ের মতো লেগে ছিল ইউরোপের সরকারগুলো। বিপ্লব তৎপরতা থেমে থাকেনি। নানাস্থানে গোপনে গড়ে উঠতে থাকে বিভিন্ন রকমের বিপ্লবী সংগঠন।১৮৪৮ সালের মহাবিদ্রোহের সময় রুশ বিপ্লবী মিখাইল বাকুনিন মুক্তিবাদী ছিলেন। স্বাধীনতার প্রাণস্পৃহা ছিল তার বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের মর্মে। বাকুনিন রচনা সংকলনের সম্পাদক ও অনুবাদক স্যাম ডলগফ মনে করেন, ১৮৬৬ থেকে রুশ বিপ্লবী বাকুনিন নৈরাজ্যবাদী ধ্যান-ধারণার জগতে প্রবেশ করেন। National Catechism বাকুনিনের নৈরাজ্যবাদ আলিঙ্গনের স্মারক রচনা। বিভিন্ন দেশে গড়ে ওঠা আন্দোলনের জন্য মৌলিক সংকল্প’র ধারণায়ন করেন। কেন্দ্রীভূত আমলাতান্ত্রিক ও সামরিক রাষ্ট্রকে একটা ফেডারেল সংগঠন দ্বারা প্রতিস্থাপনের সংকল্প এতে পষ্ট হয়। ফেডারেল সংগঠনের মৌলিক নীতিই হল: উপর থেকে নিচে নয়, নিচ থেকে উপরে। সংগঠন প্রশ্নে বাকুনিনের ফেডারেল পদ্ধতিই পরবর্তীকালে প্যারী কমিউনেরও সংগঠন প্রণালী ছিল। একই সঙ্গে তিনি জোর দেন সামাজিক বিপ্লবে। National Catechism লেখা হয় ১৮৬৬ সালে। স্যাম ডলগফ অনূদিত ও সম্পাদিত Bakunin on Anarchy গ্রন্থে রচনাটি সংকলিত হয়েছে। বইটি ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়।- অরাজ সম্পাদক

Sunday, December 27, 2020

নব্য-মৌলবাদ প্রসঙ্গে অলিভার রয়: একটি সাক্ষাৎকার


অলিভার রয় ফরাসি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী; পলিটিক্যাল ইসলাম, সেকুলারকরণ, জিহাদ, মৌলবাদ ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন। তাঁর Globalized Islam : The Search for a New Ummah কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় ২০০৬ সালে। তিনি সেখানে এই সময়ের ইসলামি আন্দোলনের হাল হকিকত নিয়ে আলাপ করেছেন; পশ্চিমাকরণ, বিশ্বায়ন, আধুনিকতা ইত্যাদির মধ্যে বর্তমানের বিশ্বায়িত ইসলামের স্বরূপ খোজার চেষ্টা চালিয়েছেন। তার এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস ওয়েবসাইটেই; সেখানে তিনি মূলত আলাপ করেছেন এই বই নিয়ে। আকারে ছোট কিন্তু আগ্রহোদ্দীপক সেই আলাপের প্রাসঙ্গিকতা এখনো হারায়নি। বরঞ্চ অলিভার রয়ের সাম্প্রতিক কাজ, যেমন জিহাদ এন্ড ডেথসেকুলারিজম কনফ্রন্টস ইসলাম, এই আলাপের পরিসর আরো বাড়িয়েছে। অলিভার রয়ের জিহাদ এন্ড ডেথ নিয়ে আলোচনার জন্য 'নব্য-জিহাদী কারা' শীর্ষক লেখাতে চোখ বুলানো যেতে পারে। 

Thursday, October 1, 2020

ঔপনিবেশিক সমাজের যেকোন বাসিন্দাই ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করতে পারবে: নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো



এই সময়ে যারা উপনিবেশবাদ ও উত্তর-উপনিবেশবাদ নিয়ে লেখালেখি করেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আফ্রিকান বুদ্ধিজীবী হচ্ছেন নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো। নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো কেনীয় ঔপন্যাসিক, কবি ও উত্তর-উপনিবেশিক তাত্ত্বিক। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় “ইংরেজি ও তুলনামূলক সাহিত্য” পড়ান। ইংরেজি ও গিকুয়ু ভাষায় লিখেন। তাঁর Decolonising the Mind (১৯৮৬) বইটি উত্তর-উপনিবেশিক তত্ত্বচর্চায় ক্লাসিকের সম্মান পেয়ে আসছে। এই বইটি একাডেমিক জগতের পণ্ডিতদের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মীদের জন্যও ভীষণ কাজের বলে বিবেচিত। গত ২৬শে সেপ্টেম্বরে অর্জুন চতুর্বেদি’র(Arjun Chaturvedi) সাথে থিয়োঙ্গোর একটি কথোপকথন ‘JACOBIN’ ওয়েবপোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎকারে তিনি আলাপ করেছেন চলমান ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনের রাজনীতির সাথে তাঁর লেখালেখির সম্পর্ক নিয়ে। কেনিয়ার বর্ণবাদ ও সহিংসতার অভিজ্ঞতার সাথে তাঁর রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক কাজকারবার এবং বর্তমান জমানার নাগরিক অসন্তোষকে মিলিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন কীভাবে উপনিবেশিক উত্তরাধিকার কেনিয়ার রাজনীতিকে আকার-প্রকার দিচ্ছে এবং কেন ভাষা এখনো রাজনৈতিক যুদ্ধের ময়দান হিসেবে রয়ে গিয়েছে। অনুবাদটি পূর্বে বোধিচিত্তে প্রকাশিত হয়েছে। 

Wednesday, September 16, 2020

করোনাভাইরাস: যে আকস্মিকতা খোদ সম্ভাব্যতাকেই মুছে দিচ্ছে—ইমানুয়েল অ্যালোয়া



[অনুবাদকের মন্তব্য: করোনাভাইরাস মহামারী প্রসঙ্গে ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক ইমানুয়েল অ্যালোয়া (Emmanuel Alloa)-এর Coronavirus: A Contingency that Eliminates Contingency প্রবন্ধটি গত ২০শে এপ্রিলে CriticalInquiry সাইটে প্রকাশিত হয়। অনুবাদটি বোধিচিত্তের ফেসবুক পেজে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। 

Sunday, June 14, 2020

স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ: নৈরাজ্যবাদ প্রসঙ্গে হাওয়ার্ড জিন

 

অনুবাদকের কৈফিয়ত

হাওয়ার্ড জিন প্রখ্যাত আমেরিকান ইতিহাসবিদ, চিন্তক বুদ্ধিজীবী প্রায় বিশের অধিক বই-পুস্তক লিখেছেন, পাশাপাশি নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক ইতিহাস নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেছেন, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, আলাপ-আলোচনা করেছেন তাঁর বিখ্যাত প্রভাবশালী ‘A People's History of the United States’ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায় সকলেই জানেন, সিনেমা থেকে শুরু করে বিদ্বৎসমাজ সবখানেই এই গ্রন্থ বহুরূপে উল্লেখিত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন এয়ারফোর্সে যোগদান করেছিলেন, এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝে গিয়েছিলেন যে, যুদ্ধের দোহাই দিয়ে সাধারণ জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে ব্যবহার করে গুটিকয়েক ফায়দা হাসিল করেন আজীবন বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন নাগরিক অধিকার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গিয়েছেন

Wednesday, May 13, 2020

করোনা: মহামারীর রাজনীতি



ইকনোমিস্ট এই সপ্তাহে করোনা ভাইরাসকে নিয়ে সংখ্যা করেছে; সেখানে প্রচ্ছদ প্রবন্ধের শিরোনাম হচ্ছে ‘কভিড-১৯: মহামারীর রাজনীতি’। ছোট এই প্রবন্ধে এখন পর্যন্ত দুনিয়ার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত বা পরামর্শের অবতারনা করা হয়েছে। আমরা যারা বাংলাদেশে বসে ক্রমাগত করোনা নিয়ে আতঙ্কে ভুগছি তারাও এই ছোট প্রবন্ধে বেশ কিছু চিন্তার ও দুশ্চিন্তার খোরাক পাবো। প্রবন্ধ অনুযায়ী, করোনা মহামারী মোকাবেলায় তিনটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে, প্রথমত, অনিশ্চয়তার প্রতি সরকারের মনোভাব, দ্বিতীয়ত রাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঠামো ও সক্ষমতা এবং তৃতীয়ত, নেতাদের বিশ্বস্ততা। বিশেষ করে, এই তিন ফ্যাক্টরের দূর্দান্ত সম্মিলনের কারণে সিঙ্গাপুর করোনার ধকল ভালোভাবে সামলে উঠেছে। এই প্রবন্ধ নেতাদের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভরসা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতার প্রতি বারেবারে ইঙ্গিত করেছে। সরকারের পক্ষে যেকোনো পলিসি নেয়া সহজতর হয়ে যায় যদি জনগণ তাদের উপর ভরসা করতে পারে, বা বিশ্বাস করতে পারে। আর নেতারা যদি ক্রমাগত অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে যান এবং মিথ্যে বলেন, তাহলে গুজব মহামারীর চেয়েও দ্রুত ছড়ায়। আমরা জানি চরম নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া এবং অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যেখানে বিদ্যমান এবং অধিকাংশ নেতাদের উপর যেখানে জনগণ আস্থাহীন, সেখানেই গুজব রটায় সহজে। সাথে যদি ভঙ্গুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যুক্ত হয় তাহলে করোনা নিজে যতটা না আতঙ্ক, তার চেয়ে বেশি আতঙ্কিত পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের ভয় এখানেই। এই তাগিদ থেকেই ইকনোমিস্ট পত্রিকার প্রচ্ছদ প্রবন্ধের ভাবানুবাদ নিচে তুলে ধরা হলো। যেহেতু ভাবানুবাদ, মূল প্রবন্ধের সাথে উনিশ-বিশ হতে পারে। 


Thursday, February 13, 2020

ইসলামিকরণে 'সেকুলার' সরকারি দলের দায়


সেকুলার দলগুলো কেনো ইসলামিকরণের দিকে ঝুঁকে পড়ে তার একটা বাংলাদেশী নমুনা জাসমিন লর্চ ২০১৮ সালের গবেষণায় দেখিয়েছিলেন। জাসমিন 'সেকুলার' শব্দের সংজ্ঞা, মানে কীভাবে সেকুলার বা সেকুলাইরেজশনকে সংজ্ঞায়িত করা উচিৎ, তা নিয়ে কোনো বাতচিৎ করেন নি, করার দরকারও পড়েনি। তার আগ্রহের জায়গাটা ছিল অন্য। সেকুলার বলতে যা আমরা 'সাধারণত' বুঝি, তা-ই তিনি ধরে কথাবার্তা আগাইছেন। এতে একটা সুবিধা হয়েছে অবশ্য, কোনো 'সংজ্ঞা'জনিত তর্ক-বিতর্কে না গিয়েই তিনি আমাদের প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করতে পেরেছেন।

Sunday, November 17, 2019

মানুষ, সমাজ এবং স্বাধীনতা: মিখাইল বাকুনিন



অনুবাদকের ভূমিকা:
মিখাইল বাকুনিনের জন্ম রাশিয়ায়, ১৮১৪ সালে। বাকুনিন ছিলেন একজন এনার্কিস্ট, একজন দৃঢ়চেতা বিপ্লবী। বিপ্লবে তাঁর ছিল পগাঢ় আস্থা, বিশ্বাস করতেন দোস্তালি-মার্কা কোনো নীতি দিয়ে বিদ্যমান শ্রেণি সংঘাতের প্রশ্নের সমাধান হবে না। এই বিশ্বাস থেকেই তাঁর জীবনের বিপুল কর্মশক্তির সমস্তটাই নিয়োজিত করেছিলেন বিপ্লবের কাজে। রুডলফ রকার এক মন্তুব্যে বাকুনিনকে আধুনিক অ্যানার্কিস্ট আন্দোলনের স্রষ্টা বলে অভিহিত করেছিলেন। সকল অ্যানার্কিস্টের মতো তারও ছিলসকল জবরদস্তিমূলক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান থেকে মুক্ত একটা সমাজের আকাঙ্ক্ষাসমাজকে তাঁরা দিয়েছেন সর্বোচ্চ প্রাধান্য। নিচের প্রবন্ধটি বাকুনিন লিখেছিলেন ১৮৭১ সালে। সমাজের মধ্যে ব্যক্তির স্বাধীনতার স্বরূপ কি হবে তা-ই মূল বিষয়। বাকুনিন লিবারেল তাত্ত্বিকদের যুক্তি খন্ডনের মাধ্যমে এগিয়েছেন। লিবারেল তাত্বিকরা ব্যক্তি স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে ব্যক্তিকে সমাজের পূর্ববর্তী ধরে নিয়েছিলেন, আর, বাকুনিন বলছেন যে, ব্যক্তি মূলত সমাজেরই সৃষ্টি। বাকুনিনের মতে, এই চিন্তাধারাই লিবারেল তাত্ত্বিকদের দিনশেষে রাষ্ট্রের রক্ষক বানিয়ে দেয়। রাষ্ট্রের খবরদারি সীমিত রাখার ব্যাপারে লিবারেলরা খানিকটা অ্যানার্কিস্টদের পাশে অবস্থান নিলেও, বাকুনিনসহ অন্য অ্যানার্কিস্টরা  এটিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁরা চান সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার সকল প্রতিষ্ঠানের বিলুপ্তি। তাই, লিবারেলরা যখন বলেন, সেই সরকারই ভালো যে সরকার শাসন করে কম, বিপরীতে অ্যানার্কিস্টরা বলেন, সেই সরকারই ভালো যে সরকার কোনো শাসনই করেনা। 

Thursday, October 31, 2019

আন্দোলনকারীদের জবানে চিলির 'নেতাবিহীন আন্দোলন'


সাবওয়ের ভাড়া ৩% বাড়ানোটাই ছিল স্ফুলিঙ্গ, এই স্ফুলিঙ্গ যে আগুন ছড়িয়েছে সেই আগুনেই চিলিতে প্রায় ১২ দিন ধরে চলছে বিক্ষোভ-বিদ্রোহ। এই বিক্ষোভ পরিণত হয়েছে গণআন্দোলনে, যা এখন চিলির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে পরিবর্তনের দাবি তুলেছে। ইতোমধ্যে ১৮ জন মারা গিয়েছেন, প্রায় ৭০০০ লোক গ্রেফতার হয়েছেন। তবু, আন্দোলন চলছেই। গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন এই আন্দোলনকে বলছে 'নেতা-বিহীন আন্দোলন' (লিডারলেস মুভমেন্ট); এবং এই নেতা-বিহীন আন্দোলন প্রেসিডেন্টকে মন্ত্রীসভায় অদল-বদল করতে বাধ্য করেছে, ন্যূনতম মজুরির কিছুটা বৃদ্ধি করতে, এবং ধনীদের ওপর ট্যাক্স কিছুটা বাড়াতে বাধ্য করেছে।

Thursday, May 2, 2019

নব্য-জিহাদি কারা?: অলিভার রয়ের তত্ত্ব-তালাশ



জঙ্গিবাদ নিয়ে আমাদের যাবতীয় আলাপ-আলোচনা দু'ধরণের প্রথাগত ডিসকোর্সের মধ্যে সীমাবদ্ধ। একপক্ষের  কথা হচ্ছে, জঙ্গিবাদ ইউরো-মার্কিন দখলদারিত্ব ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে তাদেরই আলো-হাওয়ায় পুষ্টিলাভ করা এক দানব ; আবার আরেকপক্ষের কথা হচ্ছে, যেহেতু বর্তমান সময়ের জঙ্গিরা ইসলাম ধর্মের সাথে যুক্ত সেহেতু খোদ ইসলামেই এই সহিংসতার বীজ লুকিয়ে আছে। আমাদের আলোচনা এই দুই প্রভাবশালী যুক্তির সাথে মত-দ্বিমতের মাধ্যমে জঙ্গিবাদের কারণ ও প্রবণতাকে যাচাই বাছাই করতে চাইবে। তবে, ফরাসি গবেষক অলিভার রয় এই চিরায়ত আলোচনায় একেবারে নতুন ও চমকপ্রদ কিছু তথ্য ও তত্ত্ব হাজির করেছেন। কারা জঙ্গিবাদের বর্তমান পর্যায়ে এসে আইএস এর ডাকে সাড়া দিচ্ছে ; এটাই তাঁর মূল অনুসন্ধানের বিষয়।  নমুনা (sample) হিসেবে তিনি নিয়েছেন ফরাসি দেশের মাটিতে বিস্তার  লাভ করা জঙ্গিদের তথ্য; বিশেষ করে ফ্রান্স, বেলজিয়াম সহ ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে আক্রমণকারীসহ যারা জিহাদে অংশ নেয়ার জন্যে ফ্রান্স ছেড়ে গিয়েছেন এমন প্রায় ১০০ জনের তালিকা তৈরি করেছেন। পুলিশ ও সাংবাদিকদের মারফত এবং তাদের সোশিয়াল মিডিয়ার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের জীবনবৃত্তান্ত তদন্ত করে  দেখেছেন। অলিভার রয় এই জিহাদিদের বলছেন homegrown jihadiএবং, তাদের জীবন বৃত্তান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন যে, এরা মূলত সহিংস নিহিলিস্ট যারা ইসলামকে আশ্রয় করেছে।

Wednesday, January 2, 2019

জাতীয়তাবাদী মন - জর্জ অরওয়েল



ভূমিকা

জর্জ অরওয়েলকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার মতো কিছু নাইএনিমেল ফার্ম১৯৮৪ উপন্যাসদ্বয়ের বদৌলতে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা দুনিয়া ব্যাপী। যে প্রবন্ধ নিয়ে এই আলোচনা সেটাও তাঁর উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি। বরাবরের মতো অরওয়েল এখানেও বিশেষ একধরণের প্রবণতার কথা বলেছেন। অরওয়েলের এই প্রবণতা’ সবাই ধরতে পারেন না বলে মুশকিলে পড়ে যাওয়ারও একটা সম্ভাবনা থেকে যায়। যেমনউপরোক্ত দুই উপন্যাসে তিনি রাষ্ট্রের যে কর্তৃত্বপরায়নতার কথা বলেছেন সেটা অনেকেই ধরতে পারেন না। তাই দেখা যায়স্ট্যালিন আমলের কর্তৃত্বপরায়নতার সমালোচনাকে অনেকে সমাজতন্ত্রের সমালোচনা হিসেবে নিয়ে নেন। আমাদের দেশে একদল যেমন অরওয়েলকে সমাজতন্ত্র বিরোধী  পুঁজিবাদী সমর্থক প্রমাণ করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন,  তেমনি বামঘরণার রাজনীতির সাথে জড়িত অনেকের কাছে অরওয়েল প্রায় অচ্যুত।

Saturday, October 20, 2018

স্বাধীনতা কী? - জন বেভেরলি রবিনসন


[শুরুর কথা: এই প্রবন্ধের লেখক, জন বেভেরলি রবিনসন, সম্পর্কে বলতে গেলে কিছুই জানি না; দেড় পৃষ্ঠার এই প্রবন্ধ ছাড়া তাঁর আর কিছু পড়া হয় নাই। ডিজিটাল দুনিয়ার কল্যাণে আপাতত যদ্দুর জানতে পেরেছি তা হলো রবিনসনের জন্ম ১৮৫৩ সালে এবং মারা যান ১৯২৩ সালে। সাথে এটাও জানতে পেরেছি মতাদর্শের দিক থেকে লেখক একজন  individualist anarchist; তাঁর পরিচয় হিসেবে আরও বলা আছে যে তিনি একজন প্রকাশক, অনুবাদক এবং আর্কিটেক্টও বটে। স্বাধীনতা কী(What is freedom?) এই প্রশ্নের চমকপ্রদ ও সহজ-সরল আলাপই এই প্রবন্ধ অনুবাদে আগ্রহী করে তোলে। লেখক প্রবন্ধটা লিখেছিলেন ১৮৯৪ সালে। 

Friday, September 21, 2018

আমি একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী বলছি: আমরা ফিরে যেতে চাই

A Rohingya refugee boy desperate for aid cries as he climbs on a truck distributing aid for a local NGO near the Balukali refugee camp in Cox's Bazar, Bangladesh  (Kevin Frayer/Getty Images)

[এই লেখাটা বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় গ্রহণ করা এক রোহিঙ্গার জবানবন্দী। তাঁর নাম নূর ইলিয়াস। তাঁর লেখা থেকে জানা যাচ্ছে যে তিনি শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে আছেন জামতলা ক্যাম্পে। তাঁর কথাগুলো ২৭ আগস্ট গার্ডিয়ান পত্রিকা প্রকাশ করে ‘I am a Rohingya refugee: we will become like animals if we stay in these camps’ শিরোনামে। জবানবন্দীমূলক এই লেখা-জুড়ে আছে তাদের অতীত পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ, বর্তমান অবস্থা, তাদের কষ্টের কথা, তাদের আশার কথা, তাদের আশঙ্কার কথা। তিনি বলছেন, তারা যে কোন মূল্যে মায়ানমারে ফিরতে চান, কিন্তু অবশ্যই সেটা নাগরিকত্ব ও সকল অধিকার সহ।

বিঃ দ্রঃ অনুবাদে মায়ানমারের বিভিন্ন এলাকার নাম বা ক্যাম্পের নামের উচ্চারনে খানিক এদিক-সেদিক হতে পারে, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।]

Saturday, September 8, 2018

কাহলিল জিব্রানের The Madman: কয়েকটি প্যারাবল


[১৮৮৩ সালে কাহলিল জিব্রান লেবাননের উত্তরে এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাহলিল একজন ট্যাক্স কালেক্টর ছিলেন। মায়ের নাম ছিল ক্যামিলা রামেহ। ১৮৯৫ সালে জিব্রানের মা তার চার সন্তানকে নিয়ে জীবিকার তাগিদে বোস্টনে পাড়ি জমান। ১৮৯৮ সালেই জিব্রান আবার লেবাননে চলে আসেন আরবি এবং ফ্রেঞ্চ শেখার জন্যে। আবারো বোস্টনে ফিরে যান তিনি আরো ৪ বছর পরে, ১৯০২ সালে। এর মাঝে যক্ষ্মা ও ক্যান্সারের কারণে তিনি হারিয়ে ফেলেন তার এক বোন, এক ভাই এবং মাকে। ১৯০৮ সালে তিনি পাড়ি জমান প্যারিসে, আর্টের জন্যে। ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয় তার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম “The Prophet”কেউ কেউ বলেন, "the most loving book ever written."১৯৩১ সালে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অতঃপর তার দেহ নিয়ে যাওয়া হয় লেবাননে। উল্লেখ্য, ১৯১৮ সালে প্রকাশিত The Madman বইটা তার প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সাহিত্যকর্ম। আর হ্যাঁ, ছবিগুলো জিব্রানেরই আঁকা]

Saturday, August 25, 2018

ধর্ষকের মনোজগত ও নারীর পোশাক




ধর্ষণ কি এবং কেন হয়? এই নিয়ে আমাদের প্রচুর একাডেমিক আলোচনা আছে, আমি ওইদিকে আপাতত যাব না। আলোচনা করব মূলত বহুল প্রচলিত এক ‘ধারণা’কে (অনেকের কাছে বিশ্বাস) কেন্দ্র করে। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এই আলোচনা করার কোন প্রয়োজন থাকার কথা ছিল না আজকে, তবু করতে হচ্ছে।