Showing posts with label প্রোপ্যাগান্ডা. Show all posts
Showing posts with label প্রোপ্যাগান্ডা. Show all posts

Friday, August 10, 2018

শাহিদুল আলমের একটি প্রবন্ধ এবং 'গুজবে'র প্রোপ্যাগান্ডা

A 40 year quest for  justice, New York Times, 28 Feb, 2013

শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে লিখিত শাহিদুল আলমের প্রবন্ধনিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয় ২০১৩ সালের আটাশে ফেব্রুয়ারি। সে আর্টিকেলের মূল ছবিতে লেখা ছিল, ‘আমরা বিচার চাই’। কাকতালীয়ভাবে দেখা যাচ্ছে ঠিক পাঁচবছর পরে যে আন্দোলন সম্পর্কে কথা বলার জন্যে শাহিদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে আন্দোলনের স্লোগানও ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ (আমরা বিচার চাই)! সরলীকরণ হয়ে গেলেও সত্যি যে এটা আমাদের ভঙ্গুর বিচার ব্যবস্থার অস্ত্বিত্বের জানান ও প্রমাণ দেয়। আলাপ না বাড়িয়ে পাঁচ বছর আগে সেই প্রবন্ধে শাহিদুল আসলে কি লিখেছিলেন, আসুন সেটা একবার দেখে নেই। একেবারে শব্দের সাথে শব্দ মিলিয়ে অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ করেছি।

Tuesday, July 17, 2018

প্রোপাগান্ডা ও জনসংযোগের কৌশল




জনসংযোগ বা মতামত তৈরিতে প্রোপাগান্ডার ব্যবহার ও এর সাফল্য রীতিমতো ঈর্ষনীয়। স্বৈরাচারী শাসকের কাছে ডান্ডা যেমন বর্তমান গণতন্ত্রীদের কাছে প্রোপাগান্ডাও তেমন - চমস্কির এই কথার প্রমাণ একটু চোখ-কান খোলা রাখলেই পাওয়া যাবে। এর আবার কিছু টেকনিক আছে। যেমন প্রথমেই ডাকার মতো একটা নাম লাগবে; আমেরিকায় কমিউনিস্ট অভিধা দিয়ে শত্রু হিসেবে হাজির করার রেওয়াজ বহুত পুরনো। বাংলাদেশেও কমিউনিস্ট আখ্যা দিয়ে শত্রুর চেহারা বানানোর যেমন রেওয়াজ আছে, তেমনি নাস্তিক, মৌলবাদী ইত্যাদি নামও বহুত জনকে দেওয়া হয়। সেই সাথে বর্তমানে রাজনীতিতে ‘পাকিস্তানপন্থী’, ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ বা ‘বামাতি’ ইত্যাদি নাম দেয়া সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।

Friday, February 2, 2018

গণহত্যা, প্রোপ্যাগান্ডা এবং দৈনিক সংগ্রাম

       


ভূমিকা

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দশক থেকে শেষ দশক পর্যন্ত - আর্মেনিয়া থেকে শুরু করে নাৎসি জার্মানি, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ), বসনিয়া, কম্বোডিয়া হয়ে রুয়ান্ডা পর্যন্ত - পৃথিবী এত বেশী সিস্টেমেটিক হত্যাযজ্ঞ দেখেছে এবং এত অধিক সংখ্যক প্রাণহানি হয়েছে যে গত শতাব্দীকে ‘রক্তাক্ত শতাব্দী’ বললে অত্যুক্তি হবে না। শতাব্দীর মাঝামাঝিতে ‘genocide’ বলতে একটা নতুন শব্দ তাই প্রবর্তন করতে হয়। এই গণহত্যা কখনো হুট-হাট করে ঘটে যাওয়া কোন দুর্ঘটনা নয়, বরং এটা সবসময়ই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ফসল হয়ে থাকে। কোন একক প্রভাবকের দ্বারা কখনোই এটা প্রভাবিত হয় না, একটি সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবকাঠামোগুলোও বেশ প্রভাব রাখে এতে। গণহত্যা চলাকালীন সময়ে হত্যাযজ্ঞে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে, গণহত্যার তীব্রতা বাড়াতে এবং গণহত্যাকে বৈধতা দিতে আক্রমণকারীর প্রয়োজন পড়ে ব্যাপক প্রোপ্যাগান্ডার। এই প্রোপ্যাগান্ডার ধরণ এবং মাত্রা সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। তবুও, তাদের মধ্যে কতক সাধারণ মিল লক্ষ্য করা যায় সবসময়। জ্ঞান বিজ্ঞানে অগ্রগতির সাথে সাথে গণহত্যা এবং তাতে প্রোপ্যাগান্ডার ব্যবহারেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশের সংগঠিত গণহত্যায় পাকিস্তানিদের সহযোগী গোষ্ঠীর মুখপাত্র ‘দৈনিক সংগ্রাম’ এর অবদান কেমন ছিল এবং গণহত্যার তীব্রতা বাড়াতে তাদের ভূমিকা কতটুকু ছিল, তাই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। শুরুতেই, তাই,  সংক্ষেপে গণহত্যা এবং প্রোপ্যাগান্ডা বিষয়ে কিছু আলোচনা করা হয়েছে। পরবর্তীতে, উদাহরণস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং রুয়ান্ডার ঘটনার দিকে আলোকপাত করা হয়েছে।