Showing posts with label জহির রায়হান. Show all posts
Showing posts with label জহির রায়হান. Show all posts
Wednesday, September 2, 2020
Stop Genocide: a demand to stop brutality and injustice
ZAHIR Raihan, one of the most leading filmmakers of Bangladesh, has actively participated in almost all the movements during the Pakistan period. From the Language Movement to the Liberation War, his involvement was multidimensional. His involvement with all those movements played a vital role in the characterisation of his works and had helped in portraying the mass awakening of his time in all his films, stories, and novels.
Wednesday, August 28, 2019
জহির রায়হানের ছোটগল্প : মধ্যবিত্ত শ্রেণির চিত্র ও তার সময়
জহির
রায়হানের ‘গল্পসমগ্রে’ গল্পের সংখ্যা একুশ। হিসেব করলে এই সংখ্যাটা একেবারেই
নিতান্ত, কিন্তু
মাত্র ৩৬ বছরের যে অল্প হায়াত নিয়ে দুনিয়াতে এসেছিলেন সেই সময়ে তার কাজের পরিধির
নিরিখে এই সংখ্যাটাও অনেক বলে মনে হবে। সিনেমা নির্মাণ করছেন, উপন্যাস
লিখছেন, গল্প
লিখছেন—সেই সাথে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন তার সময়কার যাবতীয় আন্দোলন-সংগ্রামে।
সিনেমার জগতে কোনো সন্দেহ নেই জহির রায়হান এক মহীরুহ; ছোটগল্পেও
তিনি সফল। উপন্যাসের সাথে তুলনা করে কেউ কেউ মন্তব্য করেন যে, উপন্যাসের
চাইতে ছোটগল্পে তার ভাবালুতা কম। বলেছেন, ‘চেতনার উৎসারণে এবং আধার পরিচর্যার
সতর্কতায় ছোটগল্পের রচয়িতা হিসাবেই জহিরের ঔজ্জ্বলতা। সম্ভবত উপন্যাস রচনার মতো
ধৈর্য তার ছিল না।’ শুধু ধৈর্য কেন, হায়াতের কথা মনে রাখলে এও বলা যায়, জীবন তাকে
পর্যাপ্ত সময় দান করে নি। জহির রায়হানের জন্ম-মৃত্যুর বছরটাকে মনে রাখলেই বুঝতে
পারার কথা, জহির
রায়হানের সমগ্র কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে, বিশেষ করে
বর্তমানে বাংলাদেশ নামে দুনিয়ার মানচিত্রে জায়গা করে নেয়া এই ভূখণ্ডের এক উত্তাল
সময়ে। জহির রায়হানের গল্পের সমাজ ও বাস্তবতার হদিস পেতে হলে সে আমলের সমাজকেও
আমাদের আমলে নিতে হবে।
Tuesday, August 14, 2018
জহির রায়হান: মুক্তির আলো জ্বালাতে চেয়েছিলেন যিনি
‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমা শেষ হয়েছিল ‘মুক্তি’ নামের এক নবজাতকের জন্মের মধ্য দিয়ে এবং সিনেমার মুক্তির
মাত্র এক বছরের মধ্যেই পাকিস্তানিদের কারাগার থেকে আমরাও মুক্তি পেয়েছিলাম; সেটা ছিল বহু ত্যাগের,
বহু
রক্তের, বহু সংগ্রামের মাধ্যমে
প্রাপ্ত মুক্তি। তাই আমরাও সিনেমার নবজাতককে পাকিস্তানের কারাগার থেকে প্রাপ্ত এই
মুক্তির সাথে মিলিয়ে দেখতে পছন্দ করি,
এবং
দেখিও। তবে, আরেকটা প্রশ্নও উত্থাপন করা
যায়, সিনেমায় জহির রায়হান যে
মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কিংবা দেখেছিলেন সেটা কি ‘একাত্তরে’র মধ্যেই সীমাবদ্ধ
ছিল নাকি আরো বড় কিছু ছিল? এবং যদি আরো বড় কোন
মুক্তির কথা বলা হয়েই থাকে ইতিহাসের পরবর্তী পর্যায়ে তার কতটা আমরা অর্জন করতে
পেরেছি? উত্তরের সন্ধান তাঁর সেই
সিনেমার মধ্যেই করা যেতে পারে।
Sunday, April 22, 2018
জহির রায়হানের খোঁজে: আলমগীর কবিরের চোখে
‘ব্যক্তি’কে খুঁজতে গেলে ‘ব্যক্তি’র স্বীয় প্রতিভাকে যেমন মূল্য দিতে হয় তেমনি
সেই প্রতিভার উৎস এবং বিকাশের কারণ তালাশ করতে হয়ে সমাজের মধ্যে, যে সমাজে ব্যক্তি তাঁর
দিনযাপন করছেন। জহির রায়হানের প্রতিভা এবং তাঁর কালের আর্থ-সামাজিক অবস্থা নিয়ে
অনেক আলাপ হয়েছে, এই
দিকে আমি যাবও না। বরং, ‘মানুষ’ জহির রায়হান কেমন ছিলেন, সেটা দেখব তাঁর সহযোদ্ধা ও
সহকর্মী - চলচ্চিত্র জগতে বাংলাদেশের আরেক দিকপাল - আলমগীর কবিরের বয়ানে ও
দৃষ্টিতে।
Sunday, April 1, 2018
জহির রায়হানের ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ও আমাদের আফসোসের গল্প
জাতীয় জীবনে কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যা সে ঘটনাত্তোর
যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে;
প্রাত্যহিক
জীবন থেকে শুরু করে শিল্প-সাহিত্য সবকিছুই সে প্রভাব-বলয়ের ভেতরে থাকে। কখনো ঘটনার
পটভূমি ও এর চেতনা জন্ম দেয় লেখক - কবিকে,
আবার
কখনো লেখক-কবিদের অস্তিত্বের বিরাট অংশ জুড়ে থাকে সেই ঘটনা। বাঙালির জীবনে বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন তেমনই এক
অভূতপূর্ব সময়, যা একদিকে আমাদের জন্যে সৃষ্টিশীল
ও মননশীল কাজের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি করেছিলে, অন্যদিকে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছিল
সকল অন্যায়-শোষণের বিরুদ্ধে, প্রেরণা দিয়েছিল এক
নতুন রাষ্ট্রের জন্মদানে। সৈয়দ শামসুল হক তো তাদের প্রজন্মকে ‘ভাষা আন্দোলনের সন্তান’ বলেই চিহ্নিত করেছিলেন। বায়ান্ন’র ফেব্রুয়ারির সেই
ঐতিহাসিক ক্ষণে ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারী প্রথম দশজনের মধ্যে একজন ছিলেন জহির রায়হান।
জহির রায়হানের সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে যে কোন আলোচনার শুরুতে এই তথ্য মাথায় গেঁথে
নেয়া উচিৎ; কেননা সে আন্দোলন তাঁর জীবনে
এত গভীর ছাপ ফেলেছে যে, হুমায়ূন আজাদ রায়
দিয়েছেন, জহির রায়হান সম্ভবত
বাংলাদেশের একমাত্র কথাসাহিত্যিক যার উদ্ভবের পেছনে আছে ভাষা আন্দোলন। যদি
বায়ান্নর একুশ না ঘটত তবে জহির রায়হান হয়ত কথাশিল্পী হতেন না।
Sunday, January 21, 2018
জহির রায়হান: নিখোঁজ ও অপেক্ষার হাজার বছর
১৯৭২
সালের ৩০ জানুয়ারি প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান মিরপুরে তাঁর
বড়দা, প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে আর ফিরে আসেন নি।
তাঁর এই ফিরে না আসা তখন থেকেই জন্ম দেয় বিভিন্ন রহস্য ও তর্ক-বিতর্কের। তাই, দেখা যায় জহির রায়হান ‘নিহত’ হয়েছেন না বলে
আমরা বলতে থাকি তিনি ‘নিখোঁজ’ হয়েছেন। যেহেতু তিনি নিহত হয়েছেন বাহাত্তরের জানুয়ারিতে, কিংবা কারো কারো মতে হারিয়ে গেছেন, তাই কেউ কেউ তাঁর মৃত্যুকে মুক্তিযুদ্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন করে
দেখাতে থাকেন এবং এর কারণে, এরশাদ সরকার ফতোয়া
দেয়,
তাকে মুক্তিযুদ্ধের শহিদও বলা যাবে না। তবে রহস্য ও
বিতর্কের ডালপালা ছড়ায় অন্য কারণে। মূলত যে প্রশ্নকে ঘিরে বিতর্ক চলতে থাকে তা
হচ্ছে,
জহির রায়হানকে কারা মারল, কিংবা কাদের হাতে জহির রায়হান মারা গেলেন, কিংবা কারা জহির রায়হানকে গুম করলো। এই প্রশ্নগুলোর জবাবে
তখন অধিকাংশই তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের দিকে আঙ্গুল তুলেন। সেটারও যথেষ্ট কারণ
ছিল।
Subscribe to:
Comments (Atom)





