Showing posts with label রোহিঙ্গা. Show all posts
Showing posts with label রোহিঙ্গা. Show all posts

Monday, June 21, 2021

রোহিঙ্গা জেনোসাইড: আর্তনাদ শোনার কেউ নেই

 

That day felt like the last day of this world, as if the whole world was collapsing. I thought judgment day had arrived.


সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গাদের উপর সবচেয়ে নির্মম জেনোসাইড শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টে, ব্যাপকহারে রোহিঙ্গাদের দেশত্যাগ বা বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু হয় একইদিন। কিন্তু এটা ছিল বহু বছর ধরে চলে আসে কাঠামোগত নিপীড়নের চূড়ান্ত বিন্দু। সাধারণত এই জেনোসাইড শুরু হওয়ার অনেক পূর্ব থেকেই রোহিঙ্গাদের বলা হতো দুনিয়ার সবচাইতে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী। সম্ভবত ২০১৫-১৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটা আর্টিকেল প্রকাশ করেছিল, সেখানে একজন রোহিঙ্গা নারী বলেছিলেন, হয় দুনিয়া আমাদের সাহায্য করুক, আর না হলে বোমা ফেলে একসাথে মেরে ফেলুক!

Sunday, September 8, 2019

শরণার্থী সংকট ও আমাদের ‘একাত্তরে’র অভিজ্ঞতা




বিরাট সংখ্যক শরণার্থী যখন যে কোনো এলাকায় প্রবেশ করবে তখন সেই এলাকায় কতক সমস্যা দেখা দিবেই, কিন্তু এখানে যে বিষয়টা মাথায় রাখা অতীব গুরুত্বপূর্ণ সেটি হচ্ছে, শরণার্থীরা ভিক্টিম; প্রাণঘাতী সমস্যার উপস্থিতি ব্যতীত সে নিজের এলাকা ছেড়ে যেতো না। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক জেনোসাইডের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে যখন বাঙালিরা শরণার্থী হিসেবে প্রবেশ করলো, সেই অভিঘাতে ভারতেও বিবিধ সমস্যা দেখা দিয়েছিল। 

রোহিঙ্গা থেকে আসাম: জাতিরাষ্ট্রের সীমানা




বাংলাদেশ ভৌগলিকভাবে এবং ঐতিহাসিকভাবে এমন এক অবস্থানে আছে যে তাকে শান্তিতে বসবাস করতে হলে কিছুটা তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের অবস্থার ওপর শর্তায়িত ও নির্ভর থাকতে হয়। ভারত মায়ানমারে যদি অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করে তাহলে এর ঢেউ আমাদের গায়ে লাগবে।

Friday, September 21, 2018

আমি একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী বলছি: আমরা ফিরে যেতে চাই

A Rohingya refugee boy desperate for aid cries as he climbs on a truck distributing aid for a local NGO near the Balukali refugee camp in Cox's Bazar, Bangladesh  (Kevin Frayer/Getty Images)

[এই লেখাটা বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় গ্রহণ করা এক রোহিঙ্গার জবানবন্দী। তাঁর নাম নূর ইলিয়াস। তাঁর লেখা থেকে জানা যাচ্ছে যে তিনি শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে আছেন জামতলা ক্যাম্পে। তাঁর কথাগুলো ২৭ আগস্ট গার্ডিয়ান পত্রিকা প্রকাশ করে ‘I am a Rohingya refugee: we will become like animals if we stay in these camps’ শিরোনামে। জবানবন্দীমূলক এই লেখা-জুড়ে আছে তাদের অতীত পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ, বর্তমান অবস্থা, তাদের কষ্টের কথা, তাদের আশার কথা, তাদের আশঙ্কার কথা। তিনি বলছেন, তারা যে কোন মূল্যে মায়ানমারে ফিরতে চান, কিন্তু অবশ্যই সেটা নাগরিকত্ব ও সকল অধিকার সহ।

বিঃ দ্রঃ অনুবাদে মায়ানমারের বিভিন্ন এলাকার নাম বা ক্যাম্পের নামের উচ্চারনে খানিক এদিক-সেদিক হতে পারে, ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।]