এই সময়ে যারা উপনিবেশবাদ ও উত্তর-উপনিবেশবাদ নিয়ে লেখালেখি করেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আফ্রিকান বুদ্ধিজীবী হচ্ছেন নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো। নগুগি ওয়া থিয়োঙ্গো কেনীয় ঔপন্যাসিক, কবি ও উত্তর-উপনিবেশিক তাত্ত্বিক। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় “ইংরেজি ও তুলনামূলক সাহিত্য” পড়ান। ইংরেজি ও গিকুয়ু ভাষায় লিখেন। তাঁর Decolonising the Mind (১৯৮৬) বইটি উত্তর-উপনিবেশিক তত্ত্বচর্চায় ক্লাসিকের সম্মান পেয়ে আসছে। এই বইটি একাডেমিক জগতের পণ্ডিতদের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মীদের জন্যও ভীষণ কাজের বলে বিবেচিত। গত ২৬শে সেপ্টেম্বরে অর্জুন চতুর্বেদি’র(Arjun Chaturvedi) সাথে থিয়োঙ্গোর একটি কথোপকথন ‘JACOBIN’ ওয়েবপোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে। এই সাক্ষাৎকারে তিনি আলাপ করেছেন চলমান ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনের রাজনীতির সাথে তাঁর লেখালেখির সম্পর্ক নিয়ে। কেনিয়ার বর্ণবাদ ও সহিংসতার অভিজ্ঞতার সাথে তাঁর রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক কাজকারবার এবং বর্তমান জমানার নাগরিক অসন্তোষকে মিলিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন কীভাবে উপনিবেশিক উত্তরাধিকার কেনিয়ার রাজনীতিকে আকার-প্রকার দিচ্ছে এবং কেন ভাষা এখনো রাজনৈতিক যুদ্ধের ময়দান হিসেবে রয়ে গিয়েছে। অনুবাদটি পূর্বে বোধিচিত্তে প্রকাশিত হয়েছে।
Showing posts with label সাক্ষাৎকার. Show all posts
Showing posts with label সাক্ষাৎকার. Show all posts
Thursday, October 1, 2020
Sunday, June 14, 2020
স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ: নৈরাজ্যবাদ প্রসঙ্গে হাওয়ার্ড জিন
অনুবাদকের কৈফিয়ত
হাওয়ার্ড জিন প্রখ্যাত আমেরিকান ইতিহাসবিদ, চিন্তক ও বুদ্ধিজীবী। প্রায় বিশের অধিক বই-পুস্তক লিখেছেন, পাশাপাশি নাগরিক অধিকার আন্দোলন, যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক ইতিহাস নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেছেন, সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, আলাপ-আলোচনা করেছেন। তাঁর বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ‘A People's History of the United States’ গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায় সকলেই জানেন, সিনেমা থেকে শুরু করে বিদ্বৎসমাজ সবখানেই এই গ্রন্থ বহুরূপে উল্লেখিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন এয়ারফোর্সে যোগদান করেছিলেন, এবং প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝে গিয়েছিলেন যে, যুদ্ধের দোহাই দিয়ে সাধারণ জনগণের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে ব্যবহার করে গুটিকয়েক ফায়দা হাসিল করেন। আজীবন বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলন ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গিয়েছেন।
Saturday, January 12, 2019
সাক্ষাৎকার ১৯৭১: রক্তটাতো এই মাটির সাথেই মিশে আছে
নাম: অসীত বরণ দে
পিতার নাম: ক্ষিতিশ চন্দ্র দে
পিতার পেশা: মেডিকেল অফিসার, চা বাগান
ঠিকানা: করের পাড়া, পাঠানঠুলা, সিলেট।
১৯৭১ সালে বয়স: আনুমানিক ২১
১৯৭১ সালে পেশা: ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ছাত্র
বর্তমানে পেশা: ট্রাভেল এজেন্সি
শুরুর কথা
উনিশ শতকের গোড়ার দিকে চা’র সন্ধান পাওয়া যায় আসাম অঞ্চলে; পরবর্তীতে ঔপনিবেশিক শাসক ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের কাছে এ বাগানগুলোর আকর্ষণ এবং দুর্ভিক্ষ ও দরিদ্র-পীড়িত অঞ্চল থেকে সস্তা শ্রমিক আনার কারণে আসাম, সিলেট প্রভৃতি অঞ্চলে চা শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটে। ‘গাছ হিলায়েগা তো পায়সা মিলেগা’ বলে বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, ছত্রিশগড় অঞ্চল থেকে ভূমিহীন দরিদ্র মানুষগুলোকে চা বাগানে নিয়ে আসে ব্রিটিশরা।
Thursday, February 8, 2018
মওলানা আজাদ: পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই যিনি দেখেছিলেন পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ!
অনুবাদকের কথা: কংগ্রেসের সভাপতি
এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মওলানা আবুল কালাম আজাদের জন্ম ১৮৮৮ সালের
১১ নভেম্বর। কংগ্রেসের সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে তিনি ১৯২৩ সালে নির্বাচিত হন এবং
পরবর্তীতে ১৯৪০ সালে আবারো কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। মওলানা আজাদ শেষ মুহূর্ত
পর্যন্ত দেশভাগের বিরোধিতা করে গিয়েছেন এবং বিভিন্ন বক্তৃতা বিবৃতিতে দ্বিজাতি
তত্ত্বের তীব্র সমালোচনাও করেছেন, বলেছেন, এর ভিত্তিতে
দেশভাগ হলে ভারতীয় মুসলমানরা আরো সমস্যায় পড়বে।
Subscribe to:
Comments (Atom)



